চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদার জয়রামপুরে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে করা হচ্ছে ভারতীয় চুল প্রসেসিং

আনারুল ইসলাম দামুড়হুদা উপজেলা প্রতিনিধিঃ

৫৮২

চুয়াডাঙ্গা দামুড়হুদার জয়রামপুরে প্রতিটি পাড়া মহল্লার অলিতে গলিতে চলছে ভারতীয় চুল প্রসেসিং এর কাজ। আর এই দুর্গন্ধ যুক্ত গুটি চুল থেকে কি ছড়াতে পারে না মহামারী করোনা ভাইরাস? স্বাস্থ্যবিধির বালাই নাই মুখে মাক্স নাই দূরত্ব বজায় নাই। ধুয়া হচ্ছে না দুই হাত ভালো ভাবে সাবান দিয়ে। এমনকি ভাইরাস থেকে রক্ষা পাবেনা শিশু বাচ্চারা।

জানা গেছে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের পাড়া-মহল্লার অলিতে গলিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে ভারতীয় চুল প্রসেসিং এর কাজ নামে চালানো হচ্ছে দেশীয় চুল, কিন্তু শোনা যাচ্ছে অবৈধভাবে ভারত থেকে চুল এনে পাড়াগাঁয়ের মহিলাদের দিয়ে এই প্রসেসিং এর কাজ করানো হচ্ছে। দুর্গন্ধযুক্ত গুটি ওয়ালা চুল প্রসেসিং করছে পাড়াগাঁয়ের মা-বোনেরা কিন্তু এই মহামারী করোনার দুঃসময়ে ভারতে যেভাবে করোনার কিলিং মিশন চালাচ্ছে এতে করে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে পারে আমার দেশের গ্রামের সরল সোজা মা-বোনেদের মাঝে বাদ পরবে না শিশু বাচ্চারা কেননা এই চুল প্রসেসিং এর কাজে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি পড়া হচ্ছে না মুখে মাক্স এমনকি দুই হাত ভালোভাবে সাবান দিয়ে না ধুয়ে বাচ্চাকে খাওয়াচ্ছে তার মায়ের বুকের দুধ তাহলে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়বে শিশু বাচ্চাদের মাঝেও কিন্তু দেখার কেউ নাই এদিকে এলাকাবাসী বলছে পুরা জয়রামপুর জুড়ে প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় অলিতে-গলিতে ১০ জন ১৫ জন ২০ জনের একটা টিম করে তারা এই চুল প্রসেসিং এর কাজ করছে খালি হাত দিয়ে। যেখানে তাদের দিন হাজিরা ৬০ টাকা করে কাজ করতে হয় ৬ ঘন্টা করে। প্রতিদিন এই চুল ব্যবসায়ীরা মোটরসাইকেলে করে বস্তা বস্তা চুল পৌঁছায়ে দেন জয়রামপুরের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায়। তাহলে এই বস্তা বস্তা চুল গুলা কি দেশিও চুল নাকি ভারতীয় চুল এমনই কয়েকজন চুল ব্যবসায়ী সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা বলেন এগুলো সবই দেশের চুল কিন্তু একটু খোঁজ নিতেই জানা গেল ভারতের বিভিন্ন অঙ্গ রাজ্য থেকে অবৈধ পথে আসে এই দুর্গন্ধযুক্ত গুটি ওয়ালা চুল। যেখানে পাড়াগাঁয়ের মা বোনেরা নিজের মাথার চুল একবার হাচড়িয়ে পরে ঐ চুলে হাত দিতেই ঘেন্না বোধ করে কিন্তু ভারতীয় এই দুর্গন্ধ যুক্ত গুটি ওয়ালা চুল টাকার প্রয়োজনে তারা এই প্রসেসিং এর কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে আজ টাকার জন্য যদি এই অবস্থা হয় তাহলে ভাইরাসের সংক্রমণ যদি ছড়ায় চুলের মাধ্যমে তখন কিভাবে তাকে রক্ষা করবে বিষয়টি দেখার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল এবং তারা আরো বলেন অতি শীঘ্রই বন্ধ করে দেওয়া হোক এই পাড়া-মহল্লার চুল প্রসেসিং এর কাজ না হলে করোনার মহামারী আকার ধারণ করতে পারে যেকোনো মুহূর্তে। এমনকি সংসারের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়াঝাঁটি ও মনোমালিন্য শুরু হয়ে গেছে তাই সকল দিক বিবেচনা করে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। এদিকে দামুড়হুদা উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন বিষয়টি আমার কানে এসেছে আমি বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এই বিভাগের আরও খবর