” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”

৭২

” রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়”

 

পীরজাদা মোহাম্মদ হাসান আলী

পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়।

অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে পূর্ন এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায় এবং ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তিসহকার পেট পুর্ন করে খায়ালে আরও এক রোজার সওয়াব পাওয়া যায়। এই হাদিসের বর্ননা মতে অনেকেই মনে করতে পারে রোজদার রোজা রেখে পেল এক রোজার সওয়াব পক্ষান্তরে যে রোজাদার কে ইফতার করালো ও খাওয়ালো সে পাবে দুই রোজার সওয়াব! আগেই বলাহয়েছে রমজান সওয়াব হাসিলের মাস মহান আল্লাহ তার বান্দার জন্য বিভিন্ন ভাবে সওয়াব হাসিলের উপায় দেখিয়াছেন। আজ থেকে ৪০ বছর আগে গ্রামীণ এলাকায় কিছু কু সংস্কার ছিল তারা রোজা রেখে অন্যের বাড়িতে ইফতার করতে চাইতনা তারা মনে করত যে ইফতার দানকারী তার রোজা নিয়ে যাবে বা রোজার সওয়াব নিয়ে যাবে কিন্ত না যিনি রোজাদার তার সওয়াব কেউ নিতে পারবেনা বা তার সওয়াবের কোন কমতি হবেনা। রোজাদারকে ইফতার করালে বা খাওয়ালে যে বা যারা ইফতার করালো বা খাওয়ালো সবাই সওয়াবের ভাগি হল কিন্ত এতে রোজাদারের রোজার সওয়াবের বিন্দুমাত্র কম হবেনা তিনি পূর্ণ সওয়াব পাবেন এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে যদি দশজন বা একশতজন মিলেও একজন রোজাদার কে ইফতার করায় ও ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ায় তবে সবাই কিন্ত এক রোজার সওয়াব পাবে কিন্ত এতে রোজাদার ব্যক্তির রোজার সওয়াবের বিন্দুমাত্র কমতি হবেনা। অন্যত্র বর্নিত আছে রমজান মাসে একজন রোজাদার কে ইফতার করালে এবং ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ালে অন্যমাসের হাজার রোজাদারকে ইফতার করালে ও ইফতার শেষে তাকে তৃপ্তি সহকারে পেট পূর্ণ করে খাওয়ালেও রমজান মাসের সমপরিমাণ সওয়াব হবেনা তাহলে বুঝতেই পারছেন পবিত্র রমজান মাস কত উত্তম এবং এই মাসের ইবাদতের ফজিলত কত বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ।আসুন আমরা সবাই সকলের জন্য সকলেমিলে মহান আল্লাহর দরবারে হাত তুলে ফরিয়াদ করি যাতে আমরা সকল মুসলমান পবিত্র রমজান মাসের সবকয়টি রেজা রাখতে পারি এবং তারাবির নামাজ আদায় করতে পারি পরিপূর্ণ ভাবে। আমিন

এই বিভাগের আরও খবর