সাংবাদিক হাফিজুর রহমান এর পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি বিনশ্র শ্রদ্ধা

সাংবাদিক হাফিজুর রহমান এর পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি বিনশ্র শ্রদ্ধা ও তাহাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা

৮৪

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সাংবাদিক হাফিজুর রহমান এর পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি বিনশ্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তাহাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা প্রকাশ করেছেন। আমরা বাঙ্গালী আমাদের গর্ব। বাংলায় কথা বলি, বাংলা আমার ভাষা। ২১ শে ফেব্রুয়ারী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে আছে। এই দিনে ১৯৫২ সালে, বাংলা ভাষা কে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেবার জন্য প্রাণ দিয়েছিল রফিক, সালাম, জব্বর সহ আরো অনেকে।

ভাষার জন্য যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের কে জানাচ্ছি আমি সাংবাদিক হাফিজুর রহমান সকল ভাষা শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও আত্মার মাগফিরাত কামনা প্রকাশ করছি।

বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালির আত্ম-অম্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে।

ওইদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়। এতে আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, আবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ ঢাকাবাসী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে সমবেত হয়।

নানা নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ জানাতে পরের দিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় রাজপথে নেমে আসে। তারা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে শহীদদের জন্য অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় অংশগ্রহণ করে।

ভাষাশহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গড়ে ওঠে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি গুঁড়িয়ে দেয়।

একুশে ফেব্রুয়ারির এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৯ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

এই বিভাগের আরও খবর